Saturday, September 7, 2019
আমাদের উদ্দেশ্য...
অনেক আগ থেকেই আমরা ঔষধ হিসেবে, সৌন্দর্য চর্চা হিসেবে মধু সহ বিভিন্ন প্রাকৃতিক খাদ্য ব্যাবহার করে আসছি। তবে বর্তমানে আমরা বাজার থেকে যা ক্রয় করি, তা সবই কি আসলেই ভেজাল মুক্ত? নিশ্চয়ই না। বরং বাজার থেকে ক্রয় করা বিভিন্ন ভেজাল যুক্ত পণ্য ভক্ষন করে আমাদের উপকারের চেয়ে অপকারই বেশী হচ্ছে। তাই আলহামদুলিল্লাহ্ আল্লাহ এর অশেষ রহমতে আমরা সফল হয়েছি সম্পূর্ণ ভেজাল মুক্ত খাদ্য (যেমনঃ সরাসরি সুন্দরবনের খাঁটি মধু) সংগ্রহ করে সরবরাহ করতে। আমরা এই খাদ্য বিভিন্ন বিশ্বস্ত মানুষের দাঁরা খাইয়ে ও খাঁটি কিনা তা পরীক্ষা নিরীক্ষা করে, তাদের পরামর্শে ঢাকায় নিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছি। আমাদের উদ্দেশ্য আপনাদের নিকট ভেজাল মুক্ত এই খাদ্য গুলো সরাবরাহ করে দেওয়া। এই জন্য আপনারা যোগাযোগ করুন কমেন্ট সেকশনে, আমাদের Facebook Page এ, অথবা বিস্তারিত জানার জন্য কল করুন এই নাম্বার গুলোতে +8801310902411, +8801310902412, +8801310902413 আল্লাহ্ আমাদের এই সহিহ নিয়ত কে কবুল করুন ও চেষ্টা কে সফল করুন। আমীন।
কালো জিরা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?
- আবদুল্লাহ ইবনু আবূ শায়বা (রহঃ) ... খালিদ ইবনু সা'দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা (যুদ্ধের উদ্দেশ্যে) বের হলাম। আমাদের সংগে ছিলেন গালিব ইবনু আবযার। তিনি পথে অসুস্থ হয়ে পড়লেন। এরপর আমরা মদিনায় আসলাম তখনও তিনি অসুস্থ ছিলেন। তাকে দেখাশোনা করতে আসেন ইবনু আবূ আতীক। তিনি আমাদের বললেনঃ তোমরা এই কালো জিরা সংগে রেখো। এ থেকে পাঁচটি কিংবা সাতটি দানা নিয়ে পিষে খাবে, তারপর তন্মধ্যে যায়তুনের কয়েক ফোটা তৈল ঢেলে দিয়ে তার নাকের এ দিক-ওদিকের ছিদ্র পথে ফোটা ফোটা করে ঢ়ুকিয়ে দেবে। কেননা আয়িশা (রাঃ) আমাদের নিকট বর্বনা করেছেন যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ এই কালো জিরা 'সাম' ব্যতিত সকল রোগের ঔষধ। আমি বললামঃ সাম- কি? তিনি বললেনঃ সাম- অর্থ মৃত্যু। (সহীহ বুখারী (ইফাঃ) / অধ্যায়ঃ ৬৩ ৫২৮৫ )
- তিরমিযী,বুখারী,মুসলিম থেকে নেয়া— হযরত কাতাদাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে,
“প্রতিদিন ২১টি
কালোজিরার ১টি পুটলি তৈরী করে পানিতে ভিজাবে এবং পুটলির পানির ফোঁটা এ নিয়মে
নাশারন্দ্রে (নাশিকা, নাক) ব্যবহার করবে-“প্রথমবার ডান নাকেরছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং
বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা। দ্বিতীয়বার বাম নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা এবং ডান নাকের
ছিদ্রে ১ ফোঁটা। তৃতীয়বার ডান নাকের ছিদ্রে ২ ফোঁটা ও বাম নাকের ছিদ্রে ১ ফোঁটা।”
- হযরত আনাস (রাঃ) বর্ণনা করেন, “নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেন, যখন রোগ-যন্ত্রণা খুব বেশী কষ্টদায়ক হয় তখন এক চিমটি পরিমাণ কালোজিরা নিয়ে খাবে তারপর পানি ও মধু সেবন করবে।” – মুজামুল আওসাতঃ তাবরানী।
মধু সম্পর্কে ইসলাম কি বলে?
- আপনার
পালনকর্তা মৌমাছিকে আদেশ দিলেনঃ পাহাড়ে, গাছে
এবং উঁচু চালে গৃহ তৈরী কর, এরপর
সর্বপ্রকার ফল থেকে ভক্ষণ কর এবং আপন পালনকর্তার উম্মুক্ত পথ সমূহে চলমান হও। তার
পেট থেকে বিভিন্ন রঙে পানীয় নির্গত হয়। তাতে মানুষের জন্যে রয়েছে রোগের প্রতিকার।
নিশ্চয় এতে চিন্তাশীল সম্প্রদায়ের জন্যে নিদর্শন রয়েছে। – (সূরা আন-নাহল আয়াতঃ ১৬, আয়াতঃ ৬৮-৬৯)
- প্রিয়নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘মধুতে আরোগ্য নিহিত আছে।’ (সহীহ
বুখারি: ৫২৪৮)
- আয়েশা
(রা.) বলেন, প্রিয়নবী
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর কাছে মধু ও মিষ্টান্ন খুব প্রিয় ছিল। (সহীহ বুখারি: ৫২৫০)।
- রাসুল
(সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, ‘যে
ব্যক্তি প্রতি মাসে তিন দিন সকালে মধু চেটে খাবে, তার
বড় ধরনের কোনো রোগ হবে না।’ (ইবনে
মাজাহ: ৩৪৪১)
- আয়্যাশ ইবন ওয়ালীদ (রহঃ) আবূ সা’ঈদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যাক্তি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর নিকট এসে বললঃ আমার ভাইয়ের পেটে অসুখ হয়েছে। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ তাকে মধূ পান করাও। এরপর লোকটি দ্বিতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। সে তৃতীয়বার আসলে তিনি বললেনঃ তাকে মধু পান করাও। এরপর লোকটি পুনরায় এসে বললঃ আমি অনুরূপই করেছি। তখন নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেনঃ আল্লাহ সত্য বলেছেন, কিন্তু তোমার ভাইয়ের পেট অসত্য বলছে। তাকে মধু পান করাও। সে তাকে মধু পান করাল। এবার সে আরোগ্য লাভ করল। – (সহীহ বুখারি অধ্যায়ঃ চিকিৎসা, হাদিস নাম্বারঃ ৫২৮২)
Subscribe to:
Posts (Atom)